ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে জালভোটের অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে জালভোটের অভিযোগ করেছেন জামায়াতের প্রার্থী। টিবিএসের ২৯ অক্টোবর রাত ৮টার খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কোনো প্রতিক্রিয়া এখনো জানা যায়নি।
টিবিএসের খবরে অভিযোগের কথা জানানো হয়েছে; আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো জানা যায়নি
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে জালভোটের অভিযোগ করেছেন জামায়াতের প্রার্থী। টিবিএসের ২৯ অক্টোবর রাত ৮টার খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
খবরে বলা হয়েছে, জামায়াত প্রার্থীর দাবি — ভোটগ্রহণের সময় বিভিন্ন কেন্দ্রে জালভোট দেওয়া হয়েছে। তবে কোন কেন্দ্রে, কখন বা কীভাবে জালভোট দেওয়া হয়েছে — এসব বিষয়ে বিস্তারিত কিছু খবরে উল্লেখ নেই। জালভোট বলতে সাধারণত অন্যের নামে বা একাধিকবার ভোট দেওয়াকে বোঝানো হয়।
উপনির্বাচন কেন হয়
কোনো আসনের সংসদ সদস্যের পদ শূন্য হলে সেখানে উপনির্বাচনের মাধ্যমে নতুন প্রতিনিধি নির্বাচন করা হয়। এই নির্বাচনেও অন্যান্য নির্বাচনের মতো প্রার্থীদের পোলিং এজেন্টরা কেন্দ্রে উপস্থিত থেকে ভোটগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করেন।
ভোটের দিন বা ফলাফল ঘোষণার পর অনিয়মের অভিযোগ ওঠা বাংলাদেশের নির্বাচনে নতুন কিছু নয়। অতীতেও বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীরা জালভোটসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ করেছেন। উপনির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি নিয়েও সাধারণত আলোচনা থাকে।
অভিযোগ যাচাইয়ের অপেক্ষা
জামায়াত প্রার্থীর এই অভিযোগ স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন বা সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কোনো বক্তব্য এখনো জানা যায়নি।
সাধারণত নির্বাচনী অনিয়মের লিখিত অভিযোগ পেলে নির্বাচন কমিশন তা খতিয়ে দেখে। এই ঘটনায় আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ দায়ের হয়েছে কি না, তাও এখনো জানা যায়নি।
নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া সাপেক্ষে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা হবে।
সূত্র: টিবিএস
পাঠকের মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি।