আজ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানে বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন জিয়াউর রহমান। আজ দিনটি বিএনপি ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ এবং জাসদ ‘সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালন করছে।
This article has not been translated into English yet. It is shown in Bengali. বাংলায় পড়ুন
ঢাকা, ৭ নভেম্বর— আজ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানে বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান। দিনটি বিএনপি ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ‘সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালন করছে।
প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি অংশ অভ্যুত্থান ঘটিয়ে জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দী করে। এর চার দিন পর, ৭ নভেম্বর, সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানে তিনি মুক্ত হন। পরে তিনি রাষ্ট্রপতি হন এবং বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর একদল কর্মকর্তার অভ্যুত্থানে তিনি নিহত হন।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বাণীতে ৭ নভেম্বরকে বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি মোড় ঘোরানো দিন হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, এই দিন দেশকে গণতন্ত্রের পথে ফিরিয়ে এনেছিল। তিনি দিনটির চেতনা থেকে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া এবং একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার প্রেরণা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
আজকের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকাল সাড়ে ৮টায় শেরেবাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং বিকেল ৩টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে শোভাযাত্রা। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শোভাযাত্রায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে যুক্ত থাকবেন। এ ছাড়া বিএনপি আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচি পালন করছে। জাসদও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে।
সূত্র: প্রথম আলো
Reader comments (0)
No comments have been published yet.