নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে বিরোধীদের সঙ্গে হাত মেলানোর ইঙ্গিত আরব জোটের
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে দেশটির বিরোধী শিবিরের সঙ্গে হাত মেলানোর ইঙ্গিত দিয়েছে আরব জোট। খবরে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহুর জোট ৫৪টি আসনের আভাস পেয়েছে, অথচ সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ৬১টি আসন।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে দেশটির বিরোধী শিবিরের সঙ্গে হাত মেলানোর ইঙ্গিত দিয়েছে আরব জোট। খবরে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট ৫৪টি আসনের আভাস পেয়েছে, অথচ সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ৬১টি আসন। এই পরিস্থিতিতে বিরোধী দলগুলো ও আরব জোট একাট্টা হলে প্রয়োজনীয় সংখ্যা ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব।
ইসরায়েলের রাজনীতিতে আরব দলগুলোর ভূমিকা ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও সরকার গঠনে তাদের সরাসরি অংশগ্রহণ বিরল। এবার আরব জোট প্রকাশ্যে বিরোধীদের সঙ্গে সমঝোতার ইঙ্গিত দেওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণের আভাস মিলছে। বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহুর দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটাতে এটিই বিরোধীদের সবচেয়ে বড় সুযোগ হতে পারে।
নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা চলমান থাকার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক চাপও বাড়ছে। গাজায় চলমান সংঘাত নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ICC) তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (ICJ) দক্ষিণ আফ্রিকার দায়ের করা মামলাও চলমান রয়েছে।
পদত্যাগেও পরোয়ানা বাতিল নয়
খবরে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু পদত্যাগ করলেও ICC-এর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাতিল হবে না। অর্থাৎ, ক্ষমতা ছাড়লেও আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়া থেকে তিনি মুক্তি পাবেন না। এই প্রসঙ্গটি ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
আরব জোটের এই অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতেও তাৎপর্যপূর্ণ। ফিলিস্তিনি ইস্যুতে ইসরায়েলের আরব নাগরিকদের প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলোর সঙ্গে বিরোধী শিবিরের সম্ভাব্য সমঝোতা আঞ্চলিক কূটনীতিতে নতুন বার্তা দিতে পারে।
তবে শেষ পর্যন্ত সমঝোতা কার্যকর হবে কি না, তা নির্ভর করছে দলগুলোর মধ্যে আসন ভাগাভাগি ও নীতিগত ঐক্যের ওপর। ইসরায়েলের জোট রাজনীতির ইতিহাস বলছে, শেষ মুহূর্তের সমীকরণ অনেক সময়ই বদলে যায়।
সূত্র: প্রথম আলো
পাঠকের মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি।