হাসিনা-রেহানার দুর্নীতি মামলায় প্রতিবেদন ৩১ জানুয়ারি
৪১ ব্যাংকের সিএসআর তহবিল থেকে ২৭৬.৩৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা ও নাজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে দুদকের মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২০২৭ সালের ৩১ জানুয়ারি ধার্য করেছে ঢাকার আদালত। মামলাটি ২০২৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর দায়ের করা হয়েছিল; প্রতিবেদন দাখিলের আগ পর্যন্ত অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর বোন শেখ রেহানার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া দুর্নীতি মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩১ জানুয়ারি ২০২৭ তারিখ ধার্য করেছে ঢাকার আদালত।
মামলায় আসামি হিসেবে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএবি) সাবেক সভাপতি নাজরুল ইসলাম মজুমদার। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০২৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর এই মামলাটি দায়ের করে।
অভিযোগ: সিএসআর তহবিলের ২৭৬ কোটি টাকা
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ৪১টি ব্যাংকের করপোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটি (সিএসআর) তহবিল থেকে ২৭৬.৩৪ কোটি টাকা নেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, এই অর্থ সংগ্রহ করা হয় "বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট"-এর মাধ্যমে। ট্রাস্টটি ১৯৯৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর গঠিত হয়েছিল।
দুদকের অভিযোগে বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলোর সামাজিক দায়বদ্ধতা খাতের এই বিশাল অঙ্কের অর্থ যথাযথ নিয়ম না মেনে নেওয়া হয়েছিল এবং এর ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তদন্তকারীরা এখন অর্থের গতিপথ ও এর ব্যবহারের বিস্তারিত খতিয়ে দেখছেন বলে জানা গেছে।
মামলাটি দেশের রাজনৈতিক ও আর্থিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে এত বড় অঙ্কের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আদালত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য করায় এখন নজর তদন্তকারীদের দিকে। প্রতিবেদনে কী উঠে আসে, সেটিই নির্ধারণ করবে মামলার পরবর্তী গতিপথ। তবে প্রতিবেদন দাখিলের আগ পর্যন্ত আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি — এটি কেবল তদন্তাধীন মামলা।
সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড
পাঠকের মন্তব্য (০)
এখনো কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি।