Saturday, 7 November 2026

ডিসেম্বরেই দেশে ফিরবেন শেখ হাসিনা, সিদ্ধান্ত বদলায়নি: এপিকে সাক্ষাৎকার

এপিকে দেওয়া লিখিত সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বলেছেন, ডিসেম্বরে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বদলায়নি। তবে তিনি ফেরার কোনো তারিখ, সময় বা পথ জানাননি। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাস দেওয়ার প্রসঙ্গকে ‘হাস্যকর’ বলে মন্তব্য করেছেন।

This article has not been translated into English yet. It is shown in Bengali. বাংলায় পড়ুন

Share
Illustrative graphic

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ডিসেম্বরে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত তাঁর বদলায়নি। বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) দেওয়া লিখিত সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেছেন। দ্য হিন্দুতে প্রকাশিত এপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত সপ্তাহে পাঠানো প্রশ্নের জবাব তিনি বুধবার, ৪ নভেম্বর দিয়েছেন।

২০২৪ সালে গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শেখ হাসিনা ভারতে চলে যান এবং তখন থেকে সেখানেই অবস্থান করছেন। দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০২৫ সালে একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। তা সত্ত্বেও তিনি এপিকে বলেছেন, তিনি ডিসেম্বরে দেশে ফিরতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তবে তিনি ফেরার কোনো তারিখ, সময় বা পথ জানাননি। দ্য হিন্দুর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারত থেকে কীভাবে ফিরবেন, তা তিনি প্রকাশ করেননি। তিনি বলেছেন, ফিরলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে, কারাদণ্ড, নির্যাতন, এমনকি মৃত্যুও হতে পারে—এ কথা জেনেও তিনি ফিরতে চান। তিনি আরও বলেছেন, মৃত্যু যদি তাঁর ভাগ্যে থাকে, তবে তিনি নিজের দেশের মাটিতে, নিজের মানুষের মধ্যে মরতে চান।

এটি শেখ হাসিনার ঘোষণা মাত্র। এর অর্থ এই নয় যে তিনি ফিরেছেন, কিংবা তাঁর ফেরা নিশ্চিত। তাঁর দল আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে এবং দলটির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত বলে দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ৫ নভেম্বর ঢাকায় সাংবাদিকদের বলেছেন, শেখ হাসিনাকে পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাস দেওয়ার প্রসঙ্গটি ‘হাস্যকর’। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা পলাতক; তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে। তাই তাঁকে পাসপোর্ট দেওয়ার প্রয়োজন নেই; বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কার্যকর প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী তাঁর হস্তান্তর চাওয়া হবে।

প্রথম আলো আরও জানিয়েছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই আন্দোলনে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। তবে শেখ হাসিনা হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: দ্য হিন্দুতে প্রকাশিত এপির প্রতিবেদন ও প্রথম আলো।

Your reaction to this story

Share

Reader comments (0)

No comments have been published yet.

Write a comment

Comments are published after an editor approves them. Please keep them civil and on topic.

Never published.

We count page views and visits for our own reports, but only if you accept. Declining stops this. Details