রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
ব্রেকিং
১/০

স্মার্টফোনের ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী করার ১০টি কার্যকর উপায়

সকালের পূর্ণ চার্জ দুপুরেই শেষ হয়ে যায়? এই ১০টি সহজ অভ্যাস বদলে ফেললে আপনার স্মার্টফোনের ব্যাটারি চলবে উল্লেখযোগ্য বেশি সময়।

শেয়ার করুন
স্মার্টফোনের ব্যাটারি টিপস

স্মার্টফোন এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু অনেকেরই অভিযোগ — সকালে পূর্ণ চার্জ দেওয়ার পর দুপুর গড়াতেই ব্যাটারি শেষের পথে। নতুন ফোন কেনার আগে এই ১০টি সহজ অভ্যাস চেষ্টা করে দেখুন; বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ব্যাটারির আয়ু উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে।

১. স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা কমিয়ে রাখুন
ডিসপ্লেই ব্যাটারির সবচেয়ে বড় খরচের জায়গা। অটো-ব্রাইটনেস চালু রাখুন অথবা ম্যানুয়ালি মাঝামাঝি রাখুন।

২. ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ বন্ধ করুন
যেসব অ্যাপ ব্যবহার করছেন না, সেগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকলে চার্জ খরচ হয়। নিয়মিত রিসেন্ট অ্যাপস পরিষ্কার করুন।

৩. ব্যাটারি সেভার মোড ব্যবহার করুন
প্রায় সব ফোনেই পাওয়ার সেভিং মোড আছে। চার্জ ২০ শতাংশের নিচে নামলে এটি চালু করে দিন।

৪. অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ করুন
প্রতিটি নোটিফিকেশনে স্ক্রিন জ্বলে ওঠে। যেসব অ্যাপের নোটিফিকেশন দরকার নেই, সেগুলো বন্ধ করে দিন।

৫. লোকেশন সার্ভিস সীমিত করুন
সব অ্যাপকে সবসময় লোকেশন ব্যবহারের অনুমতি দেবেন না। শুধু ব্যবহারের সময় অনুমতি দিন।

৬. ডার্ক মোড চালু করুন
OLED ডিসপ্লের ফোনে ডার্ক মোড ব্যাটারি বাঁচায়, কারণ কালো পিক্সেলে আলো জ্বলে না।

৭. সফটওয়্যার আপডেট রাখুন
নির্মাতারা আপডেটে প্রায়ই ব্যাটারি অপটিমাইজেশন যোগ করে। ফোনের সফটওয়্যার হালনাগাদ রাখুন।

৮. অতিরিক্ত গরম এড়িয়ে চলুন
গরমে ব্যাটারির ক্ষয় দ্রুত হয়। রোদে বা চার্জে দিয়ে ভারী গেম খেলা এড়িয়ে চলুন।

৯. আসল চার্জার ব্যবহার করুন
নকল বা নিম্নমানের চার্জার ব্যাটারির ক্ষতি করে। সম্ভব হলে ফোনের সাথে দেওয়া বা নির্মাতা-অনুমোদিত চার্জার ব্যবহার করুন।

১০. ব্যাটারি হেলথ পর্যবেক্ষণ করুন
সেটিংসে ব্যাটারি হেলথ দেখুন। ধারণক্ষমতা ৮০ শতাংশের নিচে নেমে গেলে ব্যাটারি বদলানোর কথা ভাবুন।

এই অভ্যাসগুলো একসাথে মেনে চললে শুধু একদিনের ব্যাটারি ব্যাকআপই বাড়বে না, দীর্ঘমেয়াদে ব্যাটারির আয়ুও ভালো থাকবে।

খবরটি পড়ে আপনার প্রতিক্রিয়া

শেয়ার করুন

পাঠকের মন্তব্য (০)

এখনো কোনো মন্তব্য প্রকাশিত হয়নি।

মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য সম্পাদকের অনুমোদনের পর প্রকাশিত হয়। শালীন ও বিষয়ভিত্তিক থাকুন।

প্রকাশ করা হবে না।